Read in English
This Article is From Nov 29, 2019

‘‘মহারাষ্ট্রের পর এবার গোয়া’’: বিজেপির উদ্দেশে বার্তা সঞ্জয় রাউতের

তিনি দাবি করেন, ‘‘এটা দেশজুড়ে হতে থাকবে। মহারাষ্ট্রের পর গোয়া। তারপর আমরা অন্য রাজ্যেও যাব। আমরা বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতির ফ্রন্ট তৈরি করতে চাই দেশে।''

Advertisement
অল ইন্ডিয়া Edited by
মুম্বই:

মহারাষ্ট্রের (Mahashtra) পর বিজেপি শাসিত গোয়াতেও (Goa) অলৌকিক কিছু ঘটবে। শুক্রবার শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut )এমনই দাবি করলেন শুক্রবার। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। এনসিপি-কংগ্রেস-শিবসেনা সরকার গঠিত হয়েছে সেখানে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার গোয়া সম্পর্কে এই বক্তব্য রাখল‌েন সঞ্জয় রাউত। জানালেন, গোয়ার প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় সরদেশাই শিবসেনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। বিজয় সরদেশাইয়ের দলের নাম গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টি। সঞ্জয় রাউত জানাচ্ছেন, ‘‘গোয়ায় এক নতুন রাজনৈতিক ফ্রন্ট গড়ে উঠছে গোয়ায়। ঠিক যেমন মহারাষ্ট্রে হয়েছে। শিগগিরি গোয়াতেও আপনারা এক জাদু দেখতে পাবেন।''

তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘এটা দেশজুড়ে হতে থাকবে। মহারাষ্ট্রের পর গোয়া। তারপর আমরা অন্য রাজ্যেও যাব। আমরা একটি বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতির ফ্রন্ট তৈরি করতে চাই দেশে।''

প্রধানমন্ত্রীর উচিত "ছোট ভাই উদ্ধব ঠাকরেকে সহযোগিতা করা": শিবসেনা

Advertisement

বিজয় সরদেশাই মেনে নিয়েছেন তিনি সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘সরকার কখনও ঘোষণা করে বদলায় না। তা হঠাৎই বদলে যায়। যেমন মহারাষ্ট্রে হয়েছে, তেমন গোয়াতেও হবে। বিরোধীদের একত্রিত হতে হবে। আমরা সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে দেখা করেছি। ‘মহা বিকাশ আঘাদি' তৈরি হয়েছে। এটা গোয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।''

Maharashtra: বিরোধী পক্ষে বসে উদ্ধব ঠাকরে সরকারের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের?

Advertisement

গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টি বিজেপিকে সাহায্য করে সরকার গড়তে। যদিও কংগ্রেস সবথেকে বেশি আসন পেয়েছিল। ২০১৭ সালের সেই নির্বাচনে কংগ্রেস ১৭টি আসন পেয়েছিল। বিজেপি ১৩টি আসন পেয়েও সরকার গড়েছিল ওই দলের সমর্থনে।

গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিকর গত মার্চে মারা যাওয়ার আবারও গোয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি অশান্ত হয়েছে। জোটসঙ্গীরা নিজেদের দাবিতে সরব হয়েছে।

Advertisement

বিজয় সরদেশাইকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয় প্রমোদ সাওয়ান্ত সরকারে। কিন্তু জুলাই মাসে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় দলের অন্য বিধায়কদের সঙ্গে। এর কারণ, ওই সময় ১০ জন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই মুহূর্তে ৪০ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপির সদস্য ২৭ জন।

গত মাসে মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে বিজেপি সবথেকে বেশি আসন পেয়েছিল। কিন্তু জোটসঙ্গী শিবসেনার সঙ্গে ক্ষমতা বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ শুরু হলে শেষ পর্যন্ত শিবসেনা জোট থেকে বেরিয়ে আসে।

Advertisement

গত শনিবার বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এই নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আস্থা ভোটের দিন স্থির হতেই তিনি পদত্যাগ করেন।

দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বিরুদ্ধে দু'টি ক্রিমিনাল কেস রয়েছে। সেই নিয়ে তাঁকে আদালতের সমন পাঠানোর প্রসঙ্গে সঞ্জয় রাউত বলেন, ‘‘আমি জানি না। আমরা এখন গোয়ার রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। মহারাষ্ট্রের রাজনীতি সম্পূর্ণ হয়েছে।''

Advertisement