Read in English
This Article is From May 01, 2020

লকডাউন পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি

Coronavirus: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল, অসমারিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ পুরী

Advertisement
অল ইন্ডিয়া Edited by

PM Narendra Modi: বৃহস্পতিবারও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী (ফাইল চিত্র)

Highlights

  • ২৫ মার্চ থেকে দেশে লকডাউন জারি করার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি
  • আগামী ৩ মে সেই লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা
  • তবে এবিষয়ে চূড়ান্ত সিন্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
নয়া দিল্লি:

করোনা সংক্রমণ (Coronavirus) রুখতে দেশে জারি রয়েছে লকডাউন। আগামী ৩ মে এই লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) মেয়াদ শেষের কথা।এবার তাই লকডাউনের পরবর্তী কৌশল নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল, অসমারিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ পুরীর সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজীব গৌবাও এই বৈঠকে যোগ দেন। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর দেশের বিমান পরিষেবা ফের চালু করা হবে কিনা সেটাও নাকি এই জরুরি বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অবশ্য আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে যে ৩ মে-র পরে দেশ থেকে লকডাউন উঠে গেলেও যে এলাকাগুলো হটস্পট বা করোনা সংক্রমণের "রেড জোন", সেগুলোতে কড়া বিধিনিষেধ বহাল রাখা হবে। তবে যে এলাকাগুলোয় সেভাবে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নেই সোমবার থেকে সেখানে যথেষ্ট শিথিল পরিস্থিতি থাকবে। তবে লকডাউন ব্যবস্থা শিথিল করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদিই।

পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে প্রথম ট্রেন, তেলেঙ্গানা থেকে ঝাড়খণ্ড রওনা হল সেটি

২৫ মার্চ থেকে টানা লকডাউনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ। এই হঠাৎ লকডাউনের জেরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়েছেন বহু শ্রমিক, পড়ুয়া এবং অন্যান্য ব্যক্তি। বুধবারই যদিও, সরকারের পক্ষ থেকে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়া লক্ষাধিক পরিযায়ী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীকে নিজেদের রাজ্যে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে যাঁরা ফেরার অনুমতি পাবেন তাঁদের অবশ্যই করোনা নেগেটিভ হতে হবে।

Advertisement

ভারত জুড়ে করোনা ভাইরাসের হটস্পট বা "রেড জোন"-এর সংখ্যা ক্রমশই কমছে। সরকার জানাচ্ছে যে গত ১৫ দিনের মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ কমেছে দেশের অতি সংক্রমিত এলাকাগুলো। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৫ এপ্রিল যেখানে অতি সংক্রমিত এলাকাগুলোর সংখ্যা ছিল ১৭০ সেখানে ৩০ এপ্রিল তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ১৩০ এ। দেশের রাজধানী দিল্লি থেকে মোট ৭টি বড় শহর, "রেড জোন"-এর মধ্যে পড়েছে; শুধু মুম্বই এবং দিল্লিতেই ১০,০০০ এরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত।

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫ হাজার পেরলো, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত

Advertisement

 যদিও একেবারে সংক্রমণ নেই এমন এলাকা অর্থাৎ "গ্রিন জোন"-এর সংখ্যাও কমে গেছে। আগে যেখানে দেশে "গ্রিন জোন" ছিল ৩৫৬ টি, এখন সেটি কমে গিয়ে হয়েছে ৩১৯ টি।  "গ্রিন জোন" বলতে সেই এলাকাগুলোকেই বোঝায় যেখানে নতুন করে সেভাবে কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। সেভাবেই আগে যেখানে অনেক জেলাতেই ২৮ দিনের মধ্যে নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছিলেন না কেউ, সেটাই কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২১ দিনে। অর্থাৎ সংক্রমণ যে সর্বস্তরে কমে যাচ্ছে এমনটা কিন্তু নয়।

বৃহস্পতিবার দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রধান সচিবদের সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্সের পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক একটি চিঠিতে জানায় যে, দেশে "অরেঞ্জ জোন"-এর সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২৮৪ হয়েছে।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের একটি প্যানেল ২৫ মার্চ থেকে দেশে আরোপিত এই লকডাউনের মেয়াদ দ্বিতীয়বারের জন্যে বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্যানেল বলছে, অন্ততপক্ষে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হোক লকডাউনের মেয়াদ।

পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, এবং তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যগুলিও অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে চলতি লকডাউনের মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে।

Advertisement

তবে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি একথাও বলেন যে, করোনা ভাইরাস মহামারীর বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ের সময়ে দেশের অর্থনীতির দিকটি নিয়েও ভাবনাচিন্তা করা দরকার।

Advertisement