দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া নোটিশ পাঠালেন বিজেপি সাংসদ পরবেশ বর্মাকে।
হাইলাইটস
- মণীশ সিসোদিয়ার দফতরের এক আধিকারিক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার
- বিজেপি সাংসদ পরবেশ বর্মা এই বিষয়ে মণীশকে কটাক্ষ করলেন
- মণীশ আইনি নোটিশ পাঠান বিজেপি সাংসদকে
নয়াদিল্লি: দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) দফতরের এক আধিকারিককে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে সিবিআই। শুক্রবার সেই ঘটনার সঙ্গে শাহিনবাগকে যুক্ত করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ পরবেশ বর্মা (Parvesh Verma)। প্রসঙ্গত, তিনি এর আগেও বহুবার বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এদিন সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, ‘‘ওই টাকা গিয়েছে দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার পকেটে। ওই টাকা তিনি খরচ করেছিলেন শাহিনবাগের মানুষদের বিরিয়ানি খাওয়াতে।'' মণীশ সিসোদিয়া তাঁর এই বক্তব্যের পর আইনি নোটিশ পাঠান বিজেপি সাংসদকে।
দিল্লি নির্বাচনের দু'দিন আগে বৃহস্পতিবার বিশেষ দায়িত্বে থাকা ওই আধিকারিককে হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মণীশ সিসোদিয়া এই বিষয়ে কোনও সমস্যা দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআই যা করেছে ঠিক করেচে। কঠোর শাস্তি দিলে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। গ্রেফতারির সময় নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। ঘুষ যে নেবে, তাকেই দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। দুর্নীতির প্রশ্নে আমরা ‘জিরো টলারেন্স' নীতির পক্ষপাতী।''
নির্বাচনি বিধিভঙ্গের অভিযোগ এনে যোগী আদিত্যনাথকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের
পরবেশ বর্মার বিবৃতি থেকে পরিষ্কার, বিজেপি আরও একবার শাহিনবাগের আন্দোলনের সঙ্গে আপকে যুক্ত করতে চাইছে। প্রসঙ্গত, পরবেশ এর আগে দু'বার নির্বাচন কমিশনের কাছে ভর্ৎসিত হয়েছেন শাহিনবাগের প্রতিবাদীদের নিয়ে কটাক্ষ এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ‘জঙ্গি' বলার কারণে।
‘বিরিয়ানি' প্রসঙ্গটি প্রথম ব্যবহার করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। গত সপ্তাহে দিল্লিতে নির্বাচনি জনসভায় তিনি অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে বিঁধে বলেন, উনি শাহিনবাগের বিরোধীদের বিরিয়ারি বিলোতে ব্যস্ত।
"জঙ্গিদের বিরিয়ানি নয়, গুলি" দিল্লি নির্বাচনের প্রচারে মন্তব্য Yogi Adityanath-এর
গত সপ্তাহে দিল্লিতে নির্বাচনি জনসভায় আদিত্যনাথ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে বিঁধে বলেন, বিজেপি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনও আপস না করে লড়ছে। কিন্তু কেজরিওয়াল শাহিনবাগের প্রতিবাদীদের বিরিয়ানি খাওয়াচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার গোপাল কৃষ্ণ মাধব ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েন। অভিযোগ, একটি কর ছাড়ের মামলায় সমঝোতা করবার জন্য ওই অর্থ নিচ্ছিলেন তিনি।
শনিবারই দিল্লি বিধানসভার ৭০ আসনে নির্বাচন। ফলাফল প্রকাশ ১১ ফেব্রুয়ারি।