Ishwar Chandra Vidyasagar: বাঙালির নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃতকে স্মরণ করে রাজ্য জুড়ে চলছে ‘বিদ্যাসাগর সপ্তাহ’।
নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (Ishwar Chandra Vidyasagar) ২০০তম জন্মবার্ষিকী। বাঙালির নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃতকে স্মরণ করে রাজ্য জুড়ে চলছে ‘বিদ্যাসাগর সপ্তাহ'। ঊনবিংশ শতকে নারীর শোষনের বিরুদ্ধে বিদ্যাসাগরের সোচ্চার ভূমিকা চিরস্মরণীয়। বিধবা বিবাহের প্রচলন করে সেযুগে বহু মানুষের বিরাগভাজন হতে হয়েছিল তাঁকে। তবু পিছপা না হয়ে নিজের কাজে ব্রতী থেকেছেন তিনি। ‘বর্ণপরিচয়'-এর মতো বই লিখে বাঙালি শিশুকে ‘আ মরি বাংলা ভাষা'র সঙ্গে পরিচয় করানো তাঁর জীবনের আর এক কীর্তি। ‘বিদ্যাসাগর সপ্তাহ' উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী এবং সেমিনার চলছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) টুইট করে শ্রদ্ধা ও সম্মাননা জ্ঞাপন করেছেন বাঙালির এই অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষীকে।
জানেন, কেন ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে সবজি কিনছেন মেঘালয়ের আইএএস অফিসার?
তিনি লেখেন, ‘‘মহৎ শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক এবং ‘বর্ণপরিচয়'এর স্রষ্টা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাই। নারীশিক্ষা থেকে বিধবা বিবাহের প্রচলন— সমাজে তিনি রেখে গিয়েছেন অনিবার্য় চিহ্ন।''
১৮২০ সালে জন্ম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অনেকগুলি নাটক ইংরেজিতে অনুবাদ করার পর তিনি ‘বিদ্যাসাগর' উপাধি পান। এর পাশাপাশি তিনি অনেক সংস্কৃত ক্লাসিকেরও বঙ্গানুবাদ করেন। সাধারণ মানুষের কাছে বাংলা ভাষাকে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব তাঁরই।
সাফাই কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্লাস্টিক পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর
ঊনবিংশ শতাব্দীতে নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত ছিলেন তিনি।
কেবল নারীশিক্ষার প্রসার ঘটাতে বিদ্যালয় খোলাই নয়, ১৮৫৬ সালে হিন্দু বিধবা বিবাহের প্রচলনও হয় তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়।
২০০তম জন্মবার্ষিকীতে রাজ্য তথা সারা দেশ স্মরণ করছে এই মহৎ মানুষটিকে।