আইনি গোলমাল হলে পরামর্শ দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল ৩০ জন আইনজীবীর একটি দল।
নিউ দিল্লি: মধ্যপ্রদেশের নির্বাচনের ফলাফল পর্বের পরতে পরতে ছিল উত্তেজনা, চমক। শেষমেশ যুযুধান দুপক্ষের মধ্যে ফারাকও খুব বেশি ছিল না। পরে মায়াবতী ,সমাজবাদী পার্টি এবং নির্দলের সমর্থন পাওয়ায় সরকার গড়ার ব্যাপারে কংগ্রেস অনেক সুবিধা জনক জায়গায় আছে। কংগ্রেসের নিজের বিধায়ক সংখ্যা ১১৫। এরপর বাকিদের সমর্থন মিলছে। সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৬ টি আসন। কিন্তু এই সংখ্যা যাতে কমে না যায় তার জন্য খরচ হয়েছে তিন হাজারটি ফোন কল। তাছাড়া নজরদারি চলেছে সারা রাত ধরে। কংগ্রেসের কোন বিধায়ক যাতে দল ছেড়ে অন্য কোথাও না যান তা নিশ্চিত করতে চেয়েছেন রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারা।
রাজস্থানের আগামী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলত; সূত্র
দলের সূত্র থেকে এনডিটিভি জানতে পেরেছে কমলনাথ থেকে শুরু করে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, দ্বিগবিজয় সিং সকলেই বিশেষ দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয় কোনও রকম আইনি গোলমাল হলে পরামর্শ দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল ৩০ জন আইনজীবীর একটি দল। সমস্ত ফোন যাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঠিক জায়গায় করা যায় তা নিশ্চিত করতে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবককেও নিয়োগ করা হয়েছিল।
সারা রাত ধরে ‘নাটক' চলার পর সকালের দিকে পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে শুরু করে। পরাজয় স্বীকার করে নেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান