কলকাতায় পুলিশ সিবিআই দ্বন্দ্বের পরে ধর্নায় মমতা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল রাত সাড়ে আটটা থেকে ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন। কলকাতায় গতকাল থেকে যা শুরু হয়েছে তা নির্দ্ধিধায় সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। সংবিধান বাঁচাও ডাক দিয়ে গতকাল থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে ধর্নায় বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল কলকাতা পুলিশ প্রধানের বাসভবনে সিবিআই কর্তারা পৌঁছান রাজীব কুমারকে দুটি চিটফান্ড মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। কলকাতা পুলিশ সিবি আই কর্তাদের আটক করে নেয়। এর পরেই রাজীব কুমারের বাড়িতে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধায়। মমতা বলেন, “কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে আসার সাহস কীভাবে হয়?” বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারকে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার খর্বের অভিযোগে অভিযুক্ত করেন তিনি। মুক্তিপ্রাপ্ত সিবিআই কর্তারা রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা করছেন। কলকাতা পুলিশের প্রধান রাজীব কুমারও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্নায় বসেছেন। কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) কলকাতার সিবিআই আঞ্চলিক কার্যালয় সিজিও কমপ্লেক্স পৌঁছেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তেজস্বী যাদবসহ বিভিন্ন বিরোধী নেতারা এই ঘটনার জন্য বিজেপির নিন্দা করেছেন। কেজরিওয়াল ও বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সিবিআই প্রধান এম নাগেশ্বর রাও জানিয়েছেন রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে প্রমাণ রয়েছে। তিনি প্রমাণ লোপাট করে এবং ন্যায়বিচারের পদ্ধতিতে সমস্যা সৃষ্টি করেছেন।বিজেপির প্রতিনিধিদল আজ অভিযোগ করেছে, পশ্চিমবাংলার সরকার হেলিকপ্টার অবতরণ বা সমাবেশের স্থানের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে বিজেপি নেতাদের প্রচারণার গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছেন।